শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ১২:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও প্রপাগাণ্ডায় মিশ্রিত তথ্য প্রদানের প্রতিবাদে ফরিদপুরে সংবাদ সম্মেলন How to Turn Your Gaming Rewards Points into Cash and Free Play সেই বিতর্কিত পুলিশ ময়মনসিংহ মেকানিকেলে ৫ বছর! মাদক সম্রাট থেকে মানবপাচারের গডফাদার রুবেল শেখ ফরিদপুরে গ্রামীনফোনের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ Flat Betting Strategy Benefits and Drawbacks: A Comprehensive Overview for Smart Gamblers The Psychological Impact of Member Benefits on Wagering Activity ফুসলিয়ে বিয়ে, অতঃপর যৌতুকের জন্য অত্যাচার: উপায় না পেয়ে আদালতের শরণাপন্ন নারী ফাঁস হওয়া কল রেকর্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য: রাজধানী প্রাইভেট হাসপাতালের তদন্ত ধামাচাপা দিতে সিভিল সার্জনের বিরুদ্ধে যুবলীগ নেতার অপপ্রচার চাঁদাদাবী ও সন্ত্রাসীদের হুমকিতে সাংবাদিক রাসেলের পরিবার, বাড়ি দখলের চেষ্টা ও হামলার অভিযোগ

মাত্র ১৮৮ ভাড়ায় টাকা ট্রেনে ঢাকা থেকে কক্সবাজার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
  • Update Time : শুক্রবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৬০৮ Time View

ঢাকা থেকে সরাসরি কক্সবাজার রেল যোগাযোগ চালু হলে সর্বনিম্ন ভাড়া ১৮৮ টাকা নির্ধারন করা হয়েছে।আগামীকাল শনিবার (১১ নভেম্বর)  চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে কক্সবাজার রেলপথ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করলেও যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হবে ১ ডিসেম্বর থেকে।

সাধারণ যাত্রী ও পর্যটকেরা এই ভাড়ায় ঢাকা ঠেকে কক্সবাজার আসতে পারবেন।

 

রেলসচিব হুমায়ুন কবির বলেন, ১ ডিসেম্বর শুধু আন্তঃনগর ট্রেন চালু হবে। তবে পাশাপাশি কমিউটার ও মেইল ট্রেনও চালু হবে।

সচিব বলেন, ভবিষ্যতে এই রুটে পর্যটক কোচ চালু করা হবে। শুধু ঢাকা নয় উত্তর অঞ্চল ও দেশের অন্যান্য অংশ থেকেও কক্সবাজারে রেলপথে আসা যাবে। এতে করে যোগাযোগের নতুন পথ উন্মোচন হবে।

তবে ১ ডিসেম্বর থেকে রেল চালু হলেও কক্সবাজারের আইকনিক ঝিনুক স্টেশনে সবরকম সুবিধা পাওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন তিনি। পর্যায়ক্রমে এসব সুবিধা চালু করা হবে।

এসময় বাংলাদেশ রেলের মহাপরিচালক কামরুল আহসান বলেন, ঢাকা থেকে যে ট্রেনটি কক্সবাজার আসবে সেটি সকাল সাড়ে ১০টায় ছাড়বে। আর কক্সবাজারে এসে পৌঁছাবে সাড়ে ৬টায়। পর্যায়ক্রমে এই রুটে আরো ট্রেন বাড়ানো হবে।

ঢাকা-কক্সবাজার সর্বনিম্ন ১৮৮ টাকা, সর্বোচ্চ ভাড়া ১৭২৫ টাকা

রেলওয়ের বাণিজ্যিক শাখা জানিয়েছে, চট্টগ্রাম স্টেশন থেকে কক্সবাজারের প্রকৃত দূরত্ব ১৫০ দশমিক ৮৭ কিলোমিটার। তবে রেলওয়ের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ১০০ মিটারের বেশি দৈর্ঘ্যের সেতুর জন্য অতিরিক্ত ভাড়া ও দূরত্ব (পয়েন্ট চার্জ) নির্ধারণ করছে। চট্টগ্রাম- কক্সবাজার রুটে সাতটি সেতুর জন্য বাড়তি ৫৪ কিলোমিটারের ভাড়া আরোপ করা হয়েছে।

বাড়তি পয়েন্ট চার্জ যুক্ত করে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম রুটে বাণিজ্যিক দূরত্ব ২০৫ কিলোমিটার ধরে ভাড়া নির্ধারণ করা হবে। এরসঙ্গে ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রামের ৩২১ কিলোমিটারের বাণিজ্যিক দূরত্ব বিবেচনায় ঢাকা-কক্সবাজার পর্যন্ত ভাড়া পুনর্নির্ধারণ হবে।

ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজারের সর্বমোট ৫৫১ কিলোমিটার বাণিজ্যিক দূরত্ব ধরে ভাড়া নির্ধারণ করা হচ্ছে।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, এ পথে নন-এসি অর্থাৎ শোভন চেয়ারে ৫০০ টাকা ও এসি সিটে ৯৫০ টাকা ভাড়া প্রস্তাব করা হয়েছে। এসি সিটে ১৫ শতাংশ ভ্যাটসহ ভাড়া হবে ১ হাজার ১০০ টাকা। ভ্যাটসহ এসি কেবিনে ১ হাজার ২০০ ও এসি বার্থে ভাড়া পড়বে ১ হাজার ৭২৫ টাকা।

রেলসচিব হুমায়ুন কবির বলেন, আমরা আশা করছি ১ ডিসেম্বর থেকেই যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু করতে পারব। আর সেই ট্রেনে সর্বনিম্ন ভাড়া যেটি ধরা হয়েছে সেটি হচ্ছে ১৮৮ টাকা। আর এটি নন এসি মেইল ট্রেন। সর্বোচ্চ ভাড়া এসি বার্থে ১ হাজার ৭২৫ টাকা। বর্তমানে রেলের যে ভাড়ার হার আছে সেই অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ রুটে দুটি ট্রেন চালানোর প্রস্তাব থাকলেও, ঢাকা থেকে প্রথমদিকে দিনে একটি আন্তঃনগর ট্রেন চলবে।

রেলওয়ে মহাপরিচালকের কার্যালয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী, দিনে একটি ট্রেন ঢাকা থেকে রাত সাড়ে ১০টায় যাত্রা করে বিমানবন্দর এবং চট্টগ্রাম স্টেশনে বিরতি দিয়ে সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে কক্সবাজারে পৌঁছাবে। কক্সবাজার থেকে দুপুর ১টায় যাত্রা করে রাত ৯টা ১০ মিনিটে ঢাকায় ফিরবে। ফিরতি পথেও চট্টগ্রাম ও ঢাকার বিমানবন্দরে যাত্রাবিরতি করবে। মঙ্গলবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে ট্রেনটির।

ট্রেনটির ছয়টি নাম প্রস্তাব করেছে রেলওয়ে। এগুলো হলো– ‘প্রবাল এক্সপ্রেস’, ‘হিমছড়ি এক্সপ্রেস’, ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’, ‘ইনানী এক্সপ্রেস’, ‘লাবণী এক্সপ্রেস’ ও ‘সেন্টমার্টিন এক্সপ্রেস’। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নাম চূড়ান্ত করবেন।

ট্রেনে দুটি খাবার বগি, একটি পাওয়ার কার, তিনটি এসি কেবিন, পাঁচটি এসি চেয়ার, ছয়টি শোভন চেয়ার এবং একটি নন-এসি ফার্স্ট সিট বগি থাকবে। ঢাকা থেকে যাত্রার সময় আসন সংখ্যা হবে ৭৯৭। ফিরতি পথে আসন হবে ৭৩৭।

রেলসূত্রের ভাষ্য, আপাতত ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের তূর্ণা নিশিথার বগি দিয়ে চালানো হবে ঢাকা-কক্সবাজারের ট্রেন। তূর্ণা নিশিথায় বিকল্প রেক দেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, রেলপথ নির্মাণের আগে কক্সবাজারের সঙ্গে কোনো রেল যোগাযোগ ছিল না। শুরুতে এটি ছিল দোহাজারী হতে রামু হয়ে কক্সবাজার এবং রামু হতে ঘুমধুম পর্যন্ত সিঙ্গেল লাইন ডুয়েল গেজ ট্র্যাক নির্মাণ’ প্রকল্প। এতে মোট ১২৯ দশমিক ৫৮ কিলোমিটার রেল লাইন নির্মাণের কথা ছিল। পরে রামু থেকে ঘুমধুম অংশের কাজ স্থগিত করা হয়। এখন চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত ১০০ দশমিক ৮৩ কিলোমিটার রেললাইন নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে।

রেল নেটওয়ার্কের বাইরে থাকা পর্যটন নগরীতে ট্রেন নিতে প্রকল্পটি ২০১০ সালে অনুমোদনের সময় ব্যয় ধরা হয় ১ হাজার ৮৫২ কোটি টাকা। ২০১৬ সালে প্রকল্প সংশোধনে ব্যয় বেড়ে হয় ১৮ হাজার ৩৪ কোটি টাকা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Advertise

Ads

Address

প্রধান কার্যালয় :৩৭৯/৩ কলেজ রোড (আমতলা) আশকোনা ঢাকা - ১২৩০ Email:somajeralonews24@gmail.com Contact  :01823634261
© All rights reserved 2026

Somajer Alo24