
বদরুল আমিন, ময়মনসিংহঃ
পদ ছোট কিন্তু স্যামারী করে অনেক বড় বড়! ধরা পড়েছে পুলিশের বড় কর্তাদের কাছে। তদবির করে ফের এসেছেন ময়মনসিংহে। প্রায় ৫ বছর এ জেলায় কাটাচ্ছে পুলিশ লাইনে এমটি (মেকারনিক) সেকশনে।ভূয়া ভাওচারে পটু বলে পরিচিতি তার এই সেকশনে। এর আগে সে মাদকসহ আটক হয়েছিল ময়মনসিংহের ডিবিতে! তার নাম কং মনিরুল ইসলাম বিপি নং ৭৯৯৯০১৭৮৭৯ । তিনি ২০২২ সনে ফের বদলী হয়ে আসেন।বছর দুই ভালোই কাটে তার। এর পরেই ফের মাদক ব্যবসা নিয়ে সমালোচনায় তুঙ্গে!
শহরের মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে পুলিশ মনির একটি আলোচিত নাম।পুলিশের দরবারে তার বিরুদ্ধে অভিযোগের সমালোচনা। পুলিশী তদন্তে ধরাও পড়েছে। শাস্তি হয়েছে। তৎসময়ে জেলা গোয়েন্দা সংস্থায় ওসি মোখলেছুর রহমান দ্বায়িত্ব পালন করতেন। সেই সময়ে তার মন্ত্রে দীক্ষিত হতো ওসি মোখলেছুর রহমান। তখন কোন দারোগা, সহকারি দারোগা ও সিপাইরা মনিরুলের কথা ছাড়া কোন সিদ্ধান্তই নিতে পারতোনা। তিনিই ছিলেন ওসি মোখলেছুর রহমানের দক্ষিন হস্ত। তথন তাকে বলা হতো,ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা সংস্থায় ” ৩০ দিনের ওসি”!
অভিযোগ রয়েছে সে সময়ে কক্সবাজারের মাদক সম্রাট দীদারকে আটক করে অর্ধলক্ষ ইয়াবা উদ্ধার করে তাকে ছেড়ে দেন। পরবর্তী সময়ে বিনা মাদকে লোক ধরে মাদক দিয়ে মামলা ঠুকে দিতেন। তবে মনিরুল ইসলাম জানান, এগুলো সত্য নয়। তৎসময়ে জেলা পুলিশের মাঝে ঘটনাটি ব্যপক সমালোচনা হয়েছিল। এর পরই তার বিরুদ্ধে হয়ে যায় একটি লিখিত অভিযোগ। যা গৌরীপুর সার্কেল অফিস স্বারক নং- গৌ/সা/১৮ তারিখ ২৩-১২-২০১৮ইং।
অভিযোগে উল্লেখ ছিলো, গত ১৮ আগষ্ট/২০১৮ ডিবি’র অফিসার ইনচার্জ মোখলেছুর রহমানের নেতৃত্বে গফরগাও থানাধীন বরবড়া গ্রামে ওসি’র রানার হিসেবে মনিরুল ইসলাম যান। সন্ধায় ইয়াছিন আহম্মদ ও সামছুল আলমকে প্রচুর ইয়াবাসহ একটি প্রাইভেটকার আটক করেন। পরে মোঃ মনিরুল ইসলাম মোটা অংকের টাকা নিয়ে শামছুল আলমকে ছেড়ে দেন। কথায় আছেনা “চোরের দশ দিন, গেরোস্তের একদিন” এমন বাস্তবতা পুলিশের সামনে এসে দাড়ায়। তদন্তে প্রমানিত হয়। ছাড়ফাড় হয় অনেকটা। শাস্তী হয় মোঃ মনিরুল ইসলামের।
এগুলো এখন নিস্পত্তি হয়েছে বলে মনিরুল ইসলাম দাবী করে। সেই বিতর্কিত মনিরুল ইসলাম বদলী হয়েছেন ময়মন-সিংহ এস মেকানিকেল এ যোগ দেন। প্রায় ৫ বছর একই জায়গায় রয়েছেন।সম্প্রতি আবার তিনি সমালোচিত হচ্ছে ক্ষুদ পুলিশ বিভাগে।
আগের মতই তার সাথে মাদক ব্যবসায়ীদের যোগাযোগ বেড়েছে।তার বিরুদ্ধে গাড়ী মেরামতের নামে ভূয়া ভাওচারে অভিযোগ রয়েছে।মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে তার সখ্যতা ফের শহরে সমালোচিত হচ্ছে।
মনিরুল ইসলাম জানান, একল অভিযোগ সঠিক নয়। আগেরটা তদন্ত হয়েছে।
Somajer Alo24