মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসায়ীদের দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বেগমগঞ্জে আবাসিক হোটেলে অভিযানে গ্রেপ্তার ১২ ভাঙ্গায় এসিল্যান্ড সদরুল আলমের জনবান্ধব উদ্যোগে বদলে গেছে ভূমিসেবা, প্রশংসায় সর্বমহল ফরিদপুরে নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শনে এমপি বাবুল ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে ডাক্তার মোহাম্মদ সোহাগ মিয়ার যোগদান ভাঙ্গা থানার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নতুন গতি, শীর্ষে ওসি মিজানুর রহমান ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আজিম উদ্দিন ভূমি মন্ত্রণালয়ে পদায়ন সাবেক এমপির প্রেস সেক্রেটারি রফিকের ক্ষমতার দাপট ও গণ-অসন্তোষের তথ্য গায়েব করে ত্রিশাল থানার সাজানো রিপোর্ট মুক্তাগাছায় জুলাই শহীদ সামিদের কবর জিয়ারত ও পৌর কমিটির কার্যক্রম শুরু শহিদুল ইসলাম বাবুলের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে ফরিদপুর-৪ এর গ্রামীণ জনপদ

চট্টগ্রাম নগরীর ডায়াবেটিক হাসপাতালের নেতৃত্ব  হাত ছাড়ার মূলহোতা দুই চাকরিচ্যুত 

লিয়াকত হোসেন:
  • Update Time : সোমবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৪১৯ Time View

লিয়াকত হোসেন, চট্টগ্রাম:

স্বাধীনতার পর ১৯৭৮ সালে এনায়েত বাজারে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক হাসপাতাল, চট্টগ্রামবাসীর হাতে গড়া একটি সুপরিচিত সেবামূলক প্রতিষ্ঠান।

 

সেভামূলক এ প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই চট্টগ্রামের জনগণের অবদান এবং সমিতির যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে হাসপাতালটি দেশের অন্যতম স্বনামধন্য হাসপাতাল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। হাসপাতালের নামের সাথে “চট্টগ্রাম” যুক্ত থাকলেও, এটি সবার জন্য উন্মুক্ত, সব শ্রেণীর রোগীর চিকিৎসার ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম এবং তার বাইরের সেবাও দিয়ে আসছে।

হাসপাতালটি শতভাগ চট্টগ্রামবাসীর হাসপাতাল হিসেবেই পরিচিত। এখানে জীবন সদস্যদের মধ্যে ৯০ শতাংশেরও বেশি চট্টগ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা। ফলে, চট্টগ্রামবাসীর প্রাণের এই হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখানকার নাগরিকদের সেবা নিশ্চিত করে চলেছে।

তবে, সাম্প্রতিক সময়ে এই হাসপাতালের নেতৃত্ব নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছেন চট্টগ্রামের সুশীল সমাজ।
গত ২৬ অক্টোবর সন্ধ্যায়, ওমর গনি এম এস কলেজের পাশে “হাদলি” রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত একটি গোপন আলোচনা সভায় চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক হাসপাতালের বর্তমান সমস্যা নিয়ে মতবিনিময় হয়। এই সভাটি ছিল প্রকৃতপক্ষে একটি ষড়যন্ত্রমূলক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত  সভা। সেখানে হাসপাতাল থেকে চাকরিচ্যুত দুই ব্যক্তি—হাসিনা আকতার লিপি ও সাহাব উদ্দিনের নেতৃত্বের বিরোধিতা করে পকেট কমিটি ঘোষণা করেন।

উল্লেখ্য, এই তথাকথিত আহবায়ক কমিটি চট্টগ্রামের প্রেক্ষাপটে তৈরি হয়েছে কিন্তু বাস্তবে এর নেতৃত্বের অধিকাংশ সদস্য চট্টগ্রামের বাইরের। এতে দেখা যায়, সুকৌশলে হাসপাতালের নেতৃত্ব চট্টগ্রামের মানুষের হাত থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার চক্রান্ত চলছে। হাসিনা আকতার লিপি ও সাহাব উদ্দিন, যাঁরা এই কমিটির মূল হোতা, তাঁদের অতীত কার্যক্রম এবং হাসপাতালের সঙ্গে সম্পর্কের ইতিহাস নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

এই পরিস্থিতিতে চট্টগ্রামের জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি এবং ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে হাসপাতালের বৈধ সভাপতি অধ্যাপক জাহাঙ্গীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে চলমান অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের ফলে, হাসপাতালটির নেতৃত্বের সাথে চট্টগ্রামবাসীর সম্পর্ক ক্ষুণ্ণ হতে পারে। চট্টগ্রামের মানুষের জন্য এই হাসপাতালটি সবসময় তাদের সেবা নিশ্চিত করতে চায়, এবং এই স্থানটির নেতৃত্ব শুধু স্থানীয়দেরই হাতে থাকা উচিত, যা ইতিহাস এবং চট্টগ্রামের চিকিৎসা সেবার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।

এভাবে, চট্টগ্রামের মানুষকে হাসপাতাল থেকে চাকরিচ্যুত দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে হবে এবং চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক হাসপাতালের নেতৃত্ব পুনরুদ্ধারের জন্য সচেষ্ট হতে হবে। চট্টগ্রামের জনগণের একত্রিত প্রচেষ্টা এবং সচেতনতা হাসপাতালের সেবার মান বজায় রাখতে এবং ষড়যন্ত্রকারীদের প্রতিরোধ করতে সহায়ক হবে।

চট্টগ্রামবাসীকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে আসতে হবে, যাতে চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক হাসপাতালের নেতৃত্ব চট্টগ্রামের মানুষের হাতে অক্ষুণ্ণ থাকে।চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক হাসপাতালের নেতৃত্ব ছিনিয়ে নেওয়ার সুগভীর ষড়যন্ত্র করে আসছে।

চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক হাসপাতালের বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সদ্য অনুষ্ঠিত গোপন আলোচনা সভার মাধ্যমে একটি পকেট কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা প্রকৃতপক্ষে চট্টগ্রামের মানুষের হাত থেকে হাসপাতালের নেতৃত্ব ছিনিয়ে নেওয়ার একটি সুগভীর ষড়যন্ত্র। এই কমিটি জাহাঙ্গীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে নয়; বরং এর লক্ষ্য হলো চট্টগ্রামের মানুষের ঐতিহ্যবাহী নেতৃত্বকে অদৃশ্য করে দেওয়া। এমনকি, হাসপাতালের নামের সাথে “চট্টগ্রাম” যুক্ত থাকলেও, কমিটির নেতৃবৃন্দের অধিকাংশ সদস্য চট্টগ্রামের বাইরের, যা চট্টগ্রামের মানুষের কাছে অত্যন্ত দৃষ্টিকটু।

হাসপাতালের মূল দায়িত্ব নেওয়া সেই ব্যক্তিরা, যাঁরা হাসপাতাল এবং সেবার সাথে সম্পৃক্ত থাকার জন্য চট্টগ্রামের জনগণের আস্থা অর্জন করেছেন, তাঁদের মূল নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এটা শুধু জাহাঙ্গীর চৌধুরীর বিষয় নয়; বরং এটি হলো চট্টগ্রামের জনগণের অধিকার হরণ করার একটি তৎপরতা।চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত, এই হাসপাতালটি চট্টগ্রামবাসীর প্রিয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত। চিকিৎসা সেবা প্রদানে এর যে সুনাম রয়েছে, সেটি চট্টগ্রামবাসীর অবদান এবং সমিতির নেতৃত্বের মাধ্যমে অর্জিত।

কিন্তু এখন, এই প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বের পরিবর্তন করা হলে, তা পুরো হাসপাতালের কার্যক্রম এবং সেবার মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। এই পরিস্থিতিতে চট্টগ্রামের জনগণের একত্রিত হওয়া প্রয়োজন। সকলের উচিত হাসপাতালের বৈধতা এবং সেবা প্রদানের ধারাবাহিকতা রক্ষা করার জন্য সচেতন হওয়া। তাতে যদি কোনো শক্তিশালী গোষ্ঠী বা স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি হাসপাতালের নেতৃত্ব পরিবর্তনের চেষ্টা করে, তাহলে চট্টগ্রামের মানুষ তাদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করতে হবে।

চট্টগ্রামের ঐতিহ্য এবং গণমানুষের অধিকার রক্ষার জন্য এ ধরনের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা সকলকে একত্রিত হয়ে লড়াই করতে হবে। চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক হাসপাতালের নেতৃত্ব চট্টগ্রামের মানুষের হাতে রক্ষিত থাকুক—এটাই সকলের কামনা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Advertise

Ads

Address

প্রধান কার্যালয় :৩৭৯/৩ কলেজ রোড (আমতলা) আশকোনা ঢাকা - ১২৩০ Email:somajeralonews24@gmail.com Contact  :01823634261
© All rights reserved 2026

Somajer Alo24