শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভাঙ্গায় এসিল্যান্ড সদরুল আলমের জনবান্ধব উদ্যোগে বদলে গেছে ভূমিসেবা, প্রশংসায় সর্বমহল ফরিদপুরে নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শনে এমপি বাবুল ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে ডাক্তার মোহাম্মদ সোহাগ মিয়ার যোগদান ভাঙ্গা থানার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নতুন গতি, শীর্ষে ওসি মিজানুর রহমান ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আজিম উদ্দিন ভূমি মন্ত্রণালয়ে পদায়ন সাবেক এমপির প্রেস সেক্রেটারি রফিকের ক্ষমতার দাপট ও গণ-অসন্তোষের তথ্য গায়েব করে ত্রিশাল থানার সাজানো রিপোর্ট মুক্তাগাছায় জুলাই শহীদ সামিদের কবর জিয়ারত ও পৌর কমিটির কার্যক্রম শুরু শহিদুল ইসলাম বাবুলের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে ফরিদপুর-৪ এর গ্রামীণ জনপদ ভাঙ্গা উপজেলা ও পৌর যুবদলের নতুন আংশিক কমিটি, ৩০ দিনে পূর্ণাঙ্গ করার নির্দেশ মুক্তাগাছায় দাওগাঁও এ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী কর্তৃক মিথ্যা প্রপাগান্ডা ছড়ানোর প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ

ফরিদপুরে পদ্মার পাড়ে ৭ম ঘুড়ি উৎসবে হাজারো মানুষের ঢল

লিয়াকত হোসেনঃ
  • Update Time : শুক্রবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৫৫৯ Time View

 

লিয়াকত হোসেন,ফরিদপুরঃ

‘চলো হারাই শৈশবে’ শ্লোগানে ফরিদপুরের পদ্মা তীরের ধলার মোড়ে অনুষ্ঠিত হল বর্ণাঢ্য ঘুড়ি উৎসব।আকাশে উড়ছে ড্রাগন, হাজারী গোলাপ, কঙ্কাল, সাপ, স্টার, চিল, বাদুড়, অক্টোপাস, বক্সসহ বাহারি রঙ ও আকৃতির শত ঘুড়ি।উৎসবটি কিছু সময়ের জন্য বর্ণিল করে তুলে পদ্মার পাড়ের শীতের আকাশ।যেদিকে চোখ যায় মানুষ আর মানুষ।

আজ শুক্রবার (২৬ জানুওয়ারি) বিকেলে শিশু, তরুণ-তরুণী, নারী-পুরুষসহ সব বয়সী হাজারো মানুষের ঢল নেমেছিল পদ্মা নদীর পাড়ে। খোলা আকাশের দিকে তাকালেই দেখা যাচ্ছিল নানা আকারের ও হরেক রঙের শত শত ঘুড়ি। দেখে মনে হচ্ছিল, আকাশে শত শত পাখি উড়ছে।

 বিকেলে ফরিদপুর শহর থেকে তিন কিলোমিটার দূরে সদর উপজেলার ডিক্রিরচর ইউনিয়নের ধলার মোড়ে পদ্মা নদীর পাড়ে এই ঘুড়ি উৎসবের আয়োজন করা হয়। ‘চলো হারাই শৈশবে’ প্রতিপাদ্যে টিম ফরিদপুর সিটির আয়োজনে ‘পেপারটেক ৭ম ঘুড়ি উৎসব’ এর আয়োজন করা হয়। ঘুড়ি উৎসবের উদ্বোধন করেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মো. কামরুল আহসান তালুকদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোরর্শেদ আলম।

আয়োজকেরা জানান, ঘুড়ি উৎসবের পাশাপাশি ঘুড়ি বিক্রিরও ব্যবস্থা ছিল সেখানে। উৎসব দেখতে ফরিদপুর শহর ছাড়াও এসেছেন বিভিন্ন উপজেলা ও আশপাশের জেলার লোকজন। বিকেলের ঘুড়ি উৎসবের পর সন্ধ্যায় অন্ধকার নেমে এলে শত শত ফানুস উড়িয়ে অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণ মাতিয়ে দেন অংশগ্রহণকারীরা।

ঘুড়ি উৎসব দেখতে আসেন পাশের জেলা মাগুরা সদর উপজেলার মানিক কুণ্ডু। তিনি বলেন, ‘ঘুড়ি উৎসবে এসে প্রাণের স্পন্দন পেয়েছি। আটপৌরে জীবনে উৎসব কী জিনিস, তা যেন ভুলতে বসেছিলাম। আজ মানুষের উল্লাস ও উচ্ছ্বাসের এ ব্যাপক আয়োজনে এসে বুঝতে পারলাম, বেঁচে থাকার শক্তি ও রসদের জন্য জীবনে কর্মব্যস্ততার মধ্যেও উৎসবের প্রয়োজন আছে।’

ঘুড়ি উৎসবে যোগ দেন ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার বাসিন্দা লক্ষ্মণ মণ্ডল। তিনি বলেন, ‘এখানে না এলে বুঝতাম না কত লোকের সমাগম হয় এ জায়গায়। পথে অসংখ্য মানুষকে হেঁটে আসতে দেখা গেছে।’

আয়োজকদের একজন টিম ফরিদপুর সিটির এমদাদুল হাসান বলেন, এ উৎসবে বিজয়ী ২০ জনকে পুরস্কার প্রদান করা হবে। যাঁরা বিজয়ী হয়েছেন, তাঁদের নাম ফরিদপুর সিটি নামে ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Advertise

Ads

Address

প্রধান কার্যালয় :৩৭৯/৩ কলেজ রোড (আমতলা) আশকোনা ঢাকা - ১২৩০ Email:somajeralonews24@gmail.com Contact  :01823634261
© All rights reserved 2026

Somajer Alo24