শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভাঙ্গায় এসিল্যান্ড সদরুল আলমের জনবান্ধব উদ্যোগে বদলে গেছে ভূমিসেবা, প্রশংসায় সর্বমহল ফরিদপুরে নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শনে এমপি বাবুল ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে ডাক্তার মোহাম্মদ সোহাগ মিয়ার যোগদান ভাঙ্গা থানার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নতুন গতি, শীর্ষে ওসি মিজানুর রহমান ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আজিম উদ্দিন ভূমি মন্ত্রণালয়ে পদায়ন সাবেক এমপির প্রেস সেক্রেটারি রফিকের ক্ষমতার দাপট ও গণ-অসন্তোষের তথ্য গায়েব করে ত্রিশাল থানার সাজানো রিপোর্ট মুক্তাগাছায় জুলাই শহীদ সামিদের কবর জিয়ারত ও পৌর কমিটির কার্যক্রম শুরু শহিদুল ইসলাম বাবুলের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে ফরিদপুর-৪ এর গ্রামীণ জনপদ ভাঙ্গা উপজেলা ও পৌর যুবদলের নতুন আংশিক কমিটি, ৩০ দিনে পূর্ণাঙ্গ করার নির্দেশ মুক্তাগাছায় দাওগাঁও এ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী কর্তৃক মিথ্যা প্রপাগান্ডা ছড়ানোর প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ

সরকারি ক্লিনিকে দানবাক্স বসিয়ে রোগীদের থেকে টাকা আদায়

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি;
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৭২৭ Time View

হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে সেবা নিতে আসা রোগীদের কাছ থেকে কমিউনিটি ক্লিনিক উন্নয়নের নামে দানবাক্স বসিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ক্লিনিকের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার সুব্রত কুমার হালদারসহ কর্মরতরা দীর্ঘদিন ধরে এ টাকা আদায় করে আসছেন। এমনকি হতদরিদ্র রোগীরা ওষুধ আনতে ক্লিনিকে গেলে দানবাক্সে টাকা দেওয়ার পর তাদের ওষুধ দেওয়া হয় বলে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ। তারা জানান, ওষুধ আনতে গেলেই কমিউনিটি ক্লিনিক উন্নয়নের দানবাক্সে টাকা দিতে হয়। তবে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, রোগীদের থেকে এটি বাধ্যতামূলক নেওয়া হয় না। যেসব রোগীর ইচ্ছে হয় তারাই দেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১৭টি কমিউনিটি ক্লিনিকে একজন করে হেলথকেয়ার প্রোভাইডার দায়িত্বে রয়েছেন। এসব ক্লিনিকে প্রান্তিক হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা দিতে সরকারের পক্ষ থেকে রোগীদের বিনামূল্যে ৩০ প্রকার ওষুধ সরবরাহ করা হয়। এতে প্রতিদিন গড়ে ৬০ থেকে ৭০ জন রোগী সেবা নিতে আসেন।

সরেজমিনে পৌরসভার আজিমনগরে অবস্থিত আজমিরীগঞ্জ কমিউনিটি ক্লিনিকে দেখা যায়, আজমিরীগঞ্জ সিসি লেখা একটি কাঠের বাক্স ঝোলানো রয়েছে। এ সময় ক্লিনিকে সেবা নিতে আসা একাধিক রোগী ওষুধ নিতে গিয়ে ওই বাক্সে টাকা দিচ্ছেন। কেউ ৫ টাকা আবার কেউ ১০ টাকা দিচ্ছেন।

কমিউনিটি ক্লিনিকের কয়েকজন সেবাগ্রহীতা অভিযোগ করে বলেন, ‘ওই ক্লিনিক থেকে ওষুধ আনতে গেলেই টাকা দিতে হয়। ওষুধ থাকা সত্ত্বেও তারা দেয় না। যে কারণে বাধ্য হয়েই আমরা টাকা দিচ্ছি।’

সেবাগ্রহীতা ফরজান বিবি বলেন, ‘আমি ওষুধ নিতে এলে তারা বাক্সে টাকা দিতে বলেন। তাই আমি ১০ টাকা দিয়েছি। ক্লিনিকে পর্যাপ্ত ওষুধ থাকলেও দানবাক্সে টাকা না দিলে তারা ওষুধ দেন না। তাই টাকা দিয়েই ওষুধ নিয়েছি।’

আরেক সেবাগ্রহীতা রাজু মিয়া জানান, ক্লিনিকে এসে দেখেন অনেকেই দানবাক্সে টাকা দিচ্ছেন। তাই তিনিও ১০ টাকা দিয়েছেন। কেন দিয়েছেন জানতে চাইলে বলেন, ‘ক্লিনিক থেকে ওষুধ নিতে গেলে টাকা দিতে হয়। তাই টাকা দেওয়ার পর আমাকে এক পাতা (১০টি) প্যারাসিটামল ও কিছু আয়রন ট্যাবলেট দিয়েছে তারা।’

ক্লিনিকের দায়িত্বে থাকা সুব্রত হালদার বলেন, ‘ক্লিনিকের উন্নয়নের জন্য সেবাগ্রহীতারা নিজেদের ইচ্ছানুযায়ী দানবাক্সে টাকা দিচ্ছেন। কেউ তাদের টাকা দিতে বাধ্য করেনি। আমরা সবাইকে বিনামূল্যে ওষুধ দিচ্ছি। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার নির্দেশে ক্লিনিকে দানবাক্স বসানো হয়েছে বলে তিনি জানান।’

বিষয়টি স্বীকার করে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. ইকবাল হোসেন বলেন, ক্লিনিকে ৫০ থেকে ১০০ জন সেবাগ্রহীতা সেবা নিচ্ছেন। ক্লিনিকের টুকটাক উন্নয়ন কাজের জন্য সেবাগ্রহীতাদের থেকে দান নেওয়া হচ্ছে। তারা নিজ ইচ্ছায় দান করছেন। কেউ তাদের টাকা দিতে বাধ্য করেনি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Advertise

Ads

Address

প্রধান কার্যালয় :৩৭৯/৩ কলেজ রোড (আমতলা) আশকোনা ঢাকা - ১২৩০ Email:somajeralonews24@gmail.com Contact  :01823634261
© All rights reserved 2026

Somajer Alo24