সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন

মুক্তাগাছায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ নেতা আনিছের নৃশংস হামলার ন্যায় বিচার পাওয়া নিয়ে শংকায় রুহুল ও তার পরিবার

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৬০৫ Time View
মুক্তাগাছায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ নেতা আনিছের নৃশংস হামলার ন্যায় বিচার পাওয়া নিয়ে শংকায় রুহুল ও তার পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক

@ ছাত্রলীগ নেতার দায়ের কোপে মারত্বক গুরুতর আহত হন রুহুলসহ ৩ জন
@ রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে রুহুলসহ ৫ জনের নামে দেয়া হয় সাজানো মামলা
@ আদালতে না যেতে হুমকি , ন্যায় বিচার পাওয়া নিয়ে শংকায় রুহুলের পরিবার
@ সরকার পতনের পর থেকে আত্নগোপনে, ইউনিয়ন বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতার সাথে সমঝোতার চেষ্টা

২০২৪ সালের জুন মাসে মুক্তাগাছায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ নেতা আনিছুর রহমান আনিছের নৃশংস হামলার শিকার হন রুহুল ও তার পরিবার। এসময় রুহুলসহ তার পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে মারত্বক জখম করে। রুহুল উপজেলার চন্দনীআটা এলাকার মৃত কুমেদ আলীর পুত্র। জানাযায়, ২০২৪ সালের ২৩ জুন সন্ধ্যায় একই এলাকার আনসার সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতা নাজমুল করিম জিল্লুর পুত্র নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত আনিছের নেতৃত্বে রুহুলের উপর নৃশংস হামলা চালানো হয়। নৃশংস হামলায় রহুলসহ তিনজন গুরুতর আহত হন।

এঘটনায় রুহুলের পুত্র লিমন বাদী হয়ে মুক্তাগাছা থানায় এজাহার দায়ের করলে ২৬ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে মামলা হিসেবে রেকর্ডভুক্ত হয়। মামলা নং ২৫। ধারা ১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩২৬/৩০৭/৪২৭/৫০৬/১১৪। মামলায় ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতা নাজমুল করিম জিল্লুসহ ৫ জনকে আসামী করা হয়। নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা ও সদরের সাবেক সাংসদ শান্ত গ্রুপের ত্রাস সৃষ্টিকারী ক্যাডার আনিছকে ২ নাম্বার আসামী করা হয়। ২৬ শে জুন মামলাটি রেকর্ডভুক্ত হওয়ার পর ২৮ জুন দুপুরে ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতা নাজমুল করিম জিল্লু বাদী হয়ে সাজানো একটি এজাহার দায়ের করেন এবং যা মামলা হিসেবে রেকর্ডভুক্ত হয়। মামলা নং ২৭। মামলায় রুহুলসহ ৬ জনের নাম উল্লেখ করা করা হয় এবং ১০-১২ জনকে অজ্ঞাত আসামী করা হয়।

মামলাটি রেকর্ডভুক্ত করতে মুক্তাগাছা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ, তৎকালীন সাংসদ কৃষিবিদ নজরুল ইসলাম দলীয় ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করেছেন বলে দাবী করেন লিমন। লিমন বলেন, আওয়ামীলীগ নেতাদের রাজনৈতিক প্রভাব ও মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে হাসপাতাল থেকে শুরু করে প্রশাসন সবাই আমাদেও বিপক্ষে কাজ করছে।

সাজানো মামলায় ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি বিল্লাল হোসেন ও মাদকসেবী জয়নাল আবেদীন (ময়না)কে সাক্ষী করা হয়। মামলার হওয়ার পর থেকে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বিল্লাল নিজে এবং বিভিন্ন লোকের মাধ্যমে মামলা তুলে নিতে চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন। এবং বিল্লালের মাধ্যমে আদালতে না যেতে হুমকি প্রদান করেন ছাত্রলীগ নেতা আনিছ। ফুলবাড়িয়ায় সাবেক এমপি মালেক সরকার ও উপজেলা চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ এবং মুক্তাগাছায় সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এবং সাবেক সাংসদ কৃষিবিদ নজরুল ইসলামের মাধ্যমে জখমী সনদ উত্তোলনে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করেছে।

সাম্প্রতি রাতের আধারে আওয়ামীলীগ সভাপতি বিল্লাল হোসেন ইউনিয়ন বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতাকে নিয়ে দাওয়াত খান। বিএনপির ঐ নেতার মাধ্যমে এখন বিএনপি থেকেও রাজনৈতিক সুবিধা নিতে চেষ্টা করছে। আমরা বিচার কোথায় কার কাছে পাবো? আদালতে গেলে আমাদের জীবিত আসতে দিবেনা বলে বিল্লালের মাধ্যমে হুমকি দিচ্ছে।

মূলত ছাত্রলীগ নেতা আনিছ ও তার পরিবারকে আওয়ামীলীগ নেতাদের মাধ্যমে ব্যাপক ঘুষ বানিজ্য হয় বলে জানান স্থানীয়রা  এক পুলিশ সদস্যকে মুঠোফোনে ময়না ঘুষ বিষয়টি স্বীকার করেন। এমন একটি কল রেকর্ড  প্রতিবেদকের হাতে আসে। ময়নার মত করে সকল জায়গায় টাকা ও রাজনৈতিক ক্ষমতা ব্যবহার করার মাধ্যমে আমাদের ন্যায় বিচার বঞ্চিত করা হয়েছে এবং এখনো হচ্ছে।

এমতাবস্থায় ন্যায় বিচার পাওয়ার নিয়ে শংকায় দিন কাটছে রুহুল ও তার পরিবারের। আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের সাজানো মামলা থেকে বাঁচতে এবং নৃশংস হামলার বিচার পাবে কি রুহুলের পরিবার।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Advertise

Ads

Address

প্রধান কার্যালয় :৩৭৯/৩ কলেজ রোড (আমতলা) আশকোনা ঢাকা - ১২৩০ Email:somajeralonews24@gmail.com Contact  :01823634261 Office:01924751182(WhatsApp) Video editor :01749481920
© All rights reserved 2023

Somajer Alo24