
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের উচ্চমান সহকারী মোঃ আক্তারুজ্জামান ও প্রধান সহকারী মোঃ ইউনুস আলী নামে দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ বানোয়াট,ভিত্তিহীন ও ব্যাক্তি স্বার্থের অপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে কুড়িগ্রাম সদর থানায় লেখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, হাসপাতালে ঘুষ বাণিজ্য, অসদাচরণ, প্রতিমাসে ১৫০ জন নার্সের বিল তৈরী, ফিকসেশন তৈরী, শ্রান্তি বিনোদন বিল তৈরী ও অন্যান্য খাতে বিল তৈরীর অজুহাতে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়াসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উত্থাপন হয়েছে দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে।ইতিপূর্বে একই অভিযোগ এনে একাধিকবার ব্যাক্তি সম্মান নষ্ট করার দৃশ্যমান ঘটনাও পরিলক্ষিত হয়েছে।যা প্রাপ্ত তদন্ত রিপোর্টে মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।ফলে হেয় প্রতিপন্ন করেও সফল হতে না পারায় আবার নামে বেনামে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রচার ও গণ অভূথান পরবর্তি ফ্যাসিস্টের দোসর ট্যাগ দিয়ে ফাঁসানোর পায়তারা করছে একটি চক্র।চলমান ঘটনার পূর্ববর্তী পরবর্তী ২০২১-২৫ পর্যন্ত ওই দুই কর্মচারী ইউনুস আলী ও আক্তারুজ্জামানের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগগুলো গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, দুদক খতিয়ে দেখে সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষ রিপোর্টে ভুল প্রমাণীত হয়।এ কারনে চক্রটি তন্বী নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে নামে বেনামে পত্রিকায় সংবাদ প্রচার করেছে।এসব ভিত্তিহীন অপ প্রচারের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। সরেজমিনে কথা হয়,সদর হাসপাতালে দায়িত্বরত মোছাঃ জোসনা বেগম ও মনিকা খাতুন নামের দুই নার্সের সাথে প্রতিবেদকে জানান, আমরা এ বিষয়ে কিছু জানিনা। আপনাদের কাছ থেকে এই মাত্র শুনলাম- যে আক্তারুজ্জামান ও ইউনুসের নামে লেখালেখি হচ্ছে। ওনাদের নামে দুর্নীতি করার অভিযোগ উঠেছে। আমরা এ হাসপাতালে অনেক বছর থেকে চাকরী করছি,এমন দায়িত্বহীনতা,দূর্নীতি কিংবা অনৈতিক কোন কাজের প্রমান পাই নাই।হয়তো বা কেউ ব্যাক্তিগত স্বার্থের কারনে ওনাদেরকে ফাঁসাচ্ছে। সিনিয়র নার্স মমতাজ বেগম বলেন,নার্সের বিল তৈরী, ফিকসেশন তৈরী, শ্রান্তি বিনোদন বিল তৈরী ও অন্যান্য খাতে বিল তৈরীর অজুহাতে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়ার বিষয়টি বানোয়াট।কেননা অনেক সময় আমরা নিজেদের অজ্ঞতার কারনে দাপ্তরিক কাজগুলো করতে পাই না।উনারা সেই কাজগুলো করে দেন।বিনিময়ে কিছু দাবি করেন না। এ বিষয়ে উচ্চমান সহকারী মোঃ আক্তারুজ্জামান ও ইউনুস আলী জানান, আমাদের বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগ বানোয়াট মিথ্যে এর কোন ভিত্তি নাই।আত্মসম্মান বোধের জায়গা থেকে বলছি,জানা মতে আমরা দূর্নীতি করি নাই।আমাদের সম্মান নিয়ে খেলা হচ্ছে।আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্যে কোন প্রকার অবহেলা,অনিয়ম দূর্নীতি অথবা স্বেচ্ছাচারিতার কোন প্রমান পেলে বিধি অনুযায়ী যা শাস্তি হবে তা মেনে নিতে প্রস্তুত আছি।আমরা গণ মাধ্যমের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।কিন্তু এমন সংবাদ প্রচার হলো যে সংবাদে আমাদের বক্তব্য নেয়ার প্রয়োজনবোধটুকুও ছিল না বলে জানান ভুক্তভোগী ওই দুই কর্মচারীরা।কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের তত্ত্বধায়ক ডাঃ মোঃ নুর নেওয়াজ বলেন,এ বিষয়ে আমার বলার কিছু নেই।ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত টিম আসছে।তদন্তে উপর নির্ভর করে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেযা হবে বলে জানান তিনি।
Somajer Alo24