
ভালুকা প্রতিনিধি
ময়মনসিংহের ভালুকায় কাচিনা উচ্চ বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে প্রাচীর নির্মাণ কাজ নিয়ে বির্তক সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও স্থানীয় বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিজান নিজ উদ্যোগে ঠিকাদার ও শ্রমিকদের ওপর চাপ প্রয়োগ করে সরকারি একোয়ারকৃত সড়কের জায়গার ভেতরে প্রাচীর নির্মাণের নির্দেশ দিচ্ছেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, এলজিইডির একোয়ার করা জায়গার ভেতরেই প্রাচীর নির্মাণ করা হচ্ছে। অথচ সড়কের নির্ধারিত জায়গা থেকে প্রায় আড়াই থেকে তিন ফুট দূরে প্রাচীর নির্মাণে জোরাজুরি করছেন প্রধান শিক্ষক৷ ও স্থানীয় বিএনপি নেতা মিজান । এতে ইঞ্জিনিয়ার ও কনট্রাক্টরের মতামতের বাইরে গিয়ে মনগড়া নির্দেশনা চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
ঠিকাদার সংশ্লিষ্টরা জানান, এইভাবে প্রাচীর নির্মাণ করা হলে ভবিষ্যতে সড়ক প্রশস্ত করার সময় প্রাচীর ভাঙার প্রয়োজন হতে পারে। এতে সরকারের অর্থ অপচয় হওয়ার পাশাপাশি কনট্রাক্টরও বিপাকে পড়বেন।
এ বিষয়ে ছাড়াও এই স্কুলের দুর্নীতির দায়ে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে একটি মামলা চলমান এবং স্থানীয় বিএনপি নেতা মিজানের বিরুদ্ধেও ৫ আগস্টের পড়ে অনেক অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়। প্রধান শিক্ষক এবং বিএনপি নেতা মিজান স্কুলকে ধ্বংস করার পায়তারা করতেছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, প্রধান শিক্ষক ও স্থানীয় বিএনপি নেতা মিজানের স্বেচ্ছাচারিতার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নমূলক কাজে অচলাবস্থা তৈরি হতে পারে। তাই এ ধরনের স্বার্থবিরোধী কার্যক্রম বন্ধে দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।কাচিনা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রাচীর নির্মাণে প্রধান শিক্ষক ও স্থানীয় বিএনপি নেতার ‘কারিশমা’ নিয়ে বিতর্ক
ময়মনসিংহের ভালুকায় কাচিনা উচ্চ বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে প্রাচীর নির্মাণ কাজ নিয়ে বির্তক সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও স্থানীয় বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিজান নিজ উদ্যোগে ঠিকাদার ও শ্রমিকদের ওপর চাপ প্রয়োগ করে সরকারি একোয়ারকৃত সড়কের জায়গার ভেতরে প্রাচীর নির্মাণের নির্দেশ দিচ্ছেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, এলজিইডির একোয়ার করা জায়গার ভেতরেই প্রাচীর নির্মাণ করা হচ্ছে। অথচ সড়কের নির্ধারিত জায়গা থেকে প্রায় আড়াই থেকে তিন ফুট দূরে প্রাচীর নির্মাণে জোরাজুরি করছেন প্রধান শিক্ষক৷ ও স্থানীয় বিএনপি নেতা মিজান । এতে ইঞ্জিনিয়ার ও কনট্রাক্টরের মতামতের বাইরে গিয়ে মনগড়া নির্দেশনা চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে
ঠিকাদার সংশ্লিষ্টরা জানান, এইভাবে প্রাচীর নির্মাণ করা হলে ভবিষ্যতে সড়ক প্রশস্ত করার সময় প্রাচীর ভাঙার প্রয়োজন হতে পারে। এতে সরকারের অর্থ অপচয় হওয়ার পাশাপাশি কনট্রাক্টরও বিপাকে পড়বেন।
এ বিষয়ে ছাড়াও এই স্কুলের দুর্নীতির দায়ে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে একটি মামলা চলমান এবং স্থানীয় বিএনপি নেতা মিজানের বিরুদ্ধেও ৫ আগস্টের পড়ে অনেক অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়। প্রধান শিক্ষক এবং বিএনপি নেতা মিজান স্কুলকে ধ্বংস করার পায়তারা করতেছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, প্রধান শিক্ষক ও স্থানীয় বিএনপি নেতা মিজানের স্বেচ্ছাচারিতার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নমূলক কাজে অচলাবস্থা তৈরি হতে পারে। তাই এ ধরনের স্বার্থবিরোধী কার্যক্রম বন্ধে দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
Somajer Alo24