
পটুয়াখালী জেলা ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখার সার্ভেয়ার ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিভিন্ন সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের ক্ষতিগ্রস্ত ভুক্তভোগীরা দাবি করছেন, জমির ক্ষতিপূরণ প্রদানের ক্ষেত্রে নানা কৌশলে তিনি ঘুষ, অনিয়ম ও জালিয়াতির মাধ্যমে অবৈধ অর্থ উপার্জন করেছেন।
অভিযোগ রয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত ভূমির মালিকদের প্রকৃত প্রাপ্য অর্থ বুঝিয়ে না দিয়ে, দলিলপত্র যাচাই-বাছাই ও অনুমোদনের নামে ফারুক বিপুল অঙ্কের ঘুষ গ্রহণ করেন। অনেকে জানান, ঘুষ না দিলে তাদের ফাইল মাসের পর মাস আটকে রাখা হয়। এতে হতাশ হয়ে সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়েই অবৈধ টাকা পরিশোধ করতে হয়। এছাড়াও এলএ শাখার বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় কৃত্রিম জটিলতা সৃষ্টি করে তিনি কমিশন বাণিজ্যের এক বিশাল সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক বছরে শুধু ক্ষতিপূরণের টাকা থেকেই ফারুক হোসেন প্রায় কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এবিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত সার্ভেয়ার ফারুক হোসেনের ব্যবহৃত নাম্বারে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য পাওয়া যায় নি।
সংশ্লিষ্ট মহল বলছে, একটি মাত্র সার্ভেয়ারের পক্ষে এত বড় দুর্নীতি করা সম্ভব নয়, এর পেছনে প্রভাবশালী মহলেরও হাত রয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ দুর্নীতির শিকার হলেও ন্যায্য বিচার পাচ্ছেন না। ভুক্তভোগীদের দাবি, ফারুক হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত করে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।
পরবর্তী পর্বে উঠে আসবে—কীভাবে ঘুষের টাকা হাতবদল হয় এবং কারা কারা এ সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত।
Somajer Alo24