
স্টাফ রিপোর্টার
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার রাজিবপুর ইউনিয়নের ভাটি চর নওপাড়া এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে শ্বশুর-শাশুড়িকে নির্যাতনের অভিযোগ পুত্রবধুসহ আরো কয়েকজনের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি নিয়ে (১) মোছাঃ লিমা আক্তার (৪৫), (২) মোঃ সাব্বির মিয়া (২০), (৩) মোছাঃ খাদিজা আক্তার (২৪), (৪) মোঃ নাসির উদ্দিন (৪২) কে বিবাদী করে ভিকটিম এর ছোট পুত্রবধূ মোছাঃ শেফালী খাতুন (৪০) ঈশ্বরগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং- ১৮, তারিখ-৩১/০৮/২৫। মামলার বাদী ও স্থানীয়রা বলেন, মো. চাঁনমিয়ার কাছথেকে তার বড় ছেলে প্রবাসী আইয়ুব আলী প্রায় ২০ বছর আগে বিভিন্ন কৌশল ও বাবা মা কে ভরণপোসন সহ যাবতীয় দেখভাল করার দায়িত্বের কথা বলে ১২ শতাংশ জমি লিখে নেয়। প্রায় পনেরো বছর ধরে বৃদ্ধ মা বাবার ঠিকমতো খোঁজখবর নেনি ছেলে আইয়ুব আলী। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ আত্মীয়স্বজন বিষয়টি একাধিক বার সমাধান করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। প্রবাসী আইয়ুব আলীর স্ত্রী মোছা. লিমা আক্তার তার শশুর শাশুরিকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করার পায়তারা ও শারীরিক ও মানসিকভাবে অসহনীয় নির্যাতন করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। এক পর্যায়ে গত ২৯/০৮/২০২৫ ইং তারিখ রোজ শুক্রবার দুপুরে পুত্রবধূ লিমা আক্তার, সাব্বির মিয়া, খাদিজা আক্তার, নাসির উদ্দিন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ঘরে প্রবেশ করে চাঁনমিয়া ও তার স্ত্রী সাফিয়া খাতুন কে দুনিয়া থেকে চিরতরের জন্য সরিয়ে দিতে অতর্কিতভাবে আক্রমন করে শরিরের বিভিন্নস্থানে রক্তাক্ত জখম করে গুরুতর আহত করে। স্থানীয়রা উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে। দুজনি মুমুর্ষ অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছে। এঘটনায় ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশ ৪নং আসামি নাসির উদ্দিন কে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছেন। বাকি আসামিদের গ্রেফতার কতে অভিযান অব্যাহত আছে বলে জানা যায়। বাদি ও প্রতিবেশীদের অভিযোগ- লিমা আক্তার তার মেয়ে হাফিজা আক্তার স্বর্ণা কে কু-পরামর্শ দিয়ে ব্লেড দিয়ে নিজের মাথায় নিজে আঘাত করে রক্ত বের করে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে যাচ্ছে মামলার বাদি আশেপাশের বিভিন্নজনকে ফাঁসাতে। বড় ধরনের নতুন কোন দুর্ঘটনার আগে এজাহারভুক্ত বাকি আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও প্রতিবেশীরা।
Somajer Alo24